লেখালেখি

Tag: সিনেমা

ফুটবল নিয়ে ০৫ সিনেমা

গল্পটা প্রতি চার বছরে ফিরে ফিরে আসতো লাতিন আমেরিকার সাহিত্য জগতে।

মানুষটা নাকি তখন একমাসের জন্য বাড়ির দরজা বন্ধ রাখে, দরজার বাইরে নোটিশ দেয়ঃ খেলা দেখার জন্য বন্ধ। ওই একটা মাস নাকি মানুষটা টিভির সামনে নিজের প্রিয় চেয়ারে বসে শুধু খেলা দ্যাখে, আর সেটা নিয়ে লিখে যায়।

মানুষটা এদুয়ার্দো গ্যালিয়ানো, খেলাটা ফুটবল, আর সময়টা বিশ্বকাপ।

প্রিয় লেখক, ইতিহাসবিদ গ্যালিয়ানো আর বেঁচে নেই—কিন্তু তার সেই খেলা দেখার পাগলামিকে প্রতিনিয়ত দেখতে পাই অনেকের মাঝে। বিশ্বকাপ এলেই রাত জেগে খেলা দেখা যেন বাঙালির উৎসব-মনা প্রবৃত্তির একটা দিককে প্রকাশ করে নতুন ভাবে।

আলমগীর হোসেন অড্রে হেপবার্নকে ভালবেসেছিল

“In a cruel and imperfect world, Audrey Hepburn was living proof that God could still create perfection.” – Rex Reed

আপনাদের অথবা সেগুনবাগিচার আদি বাসিন্দাদের, কারোরই জানার কথা না যে ১৯২৯ সালের মে মাসের ২ তারিখ জন্ম নেওয়া মাজেদা খাতুনের একমাত্র পুত্র আলমগীর হোসেন অড্রে ক্যাথলীন হেপবার্নের চেয়ে বয়সে দুইদিনের বড়। আলমগীর হোসেন জন্মের পর তার পিতাকে দেখেছে বলে মনে করতে পারে না এবং এই প্রসঙ্গে মাজেদা খাতুনের নীরবতার কোন গোপন তাৎপর্য থাকলেও থাকতে পারে বলেও সেগুনবাগিচার আদি বাসিন্দারা মনে করে। কিন্তু সেটি আলমগীর হোসেনের কাছে তেমন কোন বিশেষত্ব বহন করেনি কখনো এবং মাজেদা খাতুন যে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের কার্জন হলের পেছন দিকে ভাত বিক্রয় করে সেটাও সেগুনবাগিচার লোকেদের পছন্দের বিষয় না হলেও আলমগীর হোসেন কখনো তা নিয়েও ভাবেনি। এটা জানাই যথেষ্ট যে সেগুনবাগিচার বর্তমান বাসিন্দারা প্রায় সবাই অড্রে হেপবার্নকে দেখেছেন- কিন্তু আলমগীর হোসেনকে দেখেছেন কেবল আদি বাসিন্দারাই; অথবা হয়ত তাদের একটা ছোট অংশ।

Powered by WordPress & Theme by Anders Norén

error: Content is protected !!