শীতসন্ধ্যার ল্যাম্পপোস্টের আড়ালের বাংলাদেশ

প্রথমেই মুক্তিযুদ্ধ যাদুঘর কর্তৃপক্ষকে ধন্যবাদ,আজকের এই আয়োজনে আমায় আমন্ত্রণ জানানোর জন্য। স্বীকার করে নেয়া ভালো, যে তাজউদ্দীন আহমদের মতো মানুষকে নিয়ে স্মরণসভায় আলোচনা করবার মতো প্রজ্ঞাবান আমি মোটেই নই। সে কাজ অন্য আলোচকেরা করবেন। আমি কাজ করি শব্দ নিয়ে, উপন্যাস নিয়ে। আর ঘটনাচক্রে আমার প্রকাশিত প্রথম উপন্যাস প্রচেষ্টা, সাক্ষী ছিলো শিরস্ত্রাণ, বাংলাদেশের প্রথম প্রধানমন্ত্রী তাজউদ্দীন আহমদের জীবনকে কেন্দ্র করেই লেখা। ফলে, সাদাকালো অক্ষরের মাঝ দিয়ে শ্রদ্ধেয় তাজউদ্দীনের সাথে একটা উল্লেখযোগ্য সময় আমি যাপন করেছি, এখনো করছি। সেই সূত্রেই বোধ করি, আজকের আলোচনায় আয়োজকেরা আমায় কথা বলার যোগ্য মনে করেছেন। আমি কথা বলবো মূলতঃ  দুটো বিষয় নিয়ে। প্রথমতঃ তাজউদ্দীন আহমদকে আমি ঠিক কীভাবে আবিষ্কার করেছি, আর দ্বিতীয়তঃ আজকের বাংলাদেশে তাজউদ্দীনকে ঠিক কোনখানে আমি খুঁজে পাই।Read More »

তাজউদ্দীন কোথায় গেলেন

তাজউদ্দীনের সাথে ছেলেবেলায় আমার ঠিক পরিচয় হয়নি। বিপরীত শব্দ আর পাটিগণিতের ফাঁক গলে সুদূর শৈশব থেকে আবছা হয়ে কখনো কখনো তিনি উঁকি মারেন সামাজিক বিজ্ঞান বইতে, তার জন্য বরাদ্দ হয়ে রয় কিছু নীরস দাপ্তরিক শব্দ বড়জোর, নবগঠিত বাংলাদেশ সরকারের প্রধানমন্ত্রী হলেন তাজউদ্দীন আহমদ। ফলে, তাজউদ্দীন কখনো আমাদের হয়ে ওঠেন না। শৈশবের- তখনো সহনীয় যানজটের-ঢাকায় একটি ল্যাম্পপোস্টের বেশি কিছু তিনি নন; তিনি তখনো মাস্টারের নিয়মমাফিক প্রশ্নপত্রের জবাবে উগড়ে আসা উত্তরে, মুক্তিযুদ্ধের একটি অব্যয় মাত্র।

ভাবি- সেই তাজউদ্দীন আজ কোথায়? ক্যামন আছেন তিনি?Read More »