তাজউদ্দীন কোথায় গেলেন

তাজউদ্দীনের সাথে ছেলেবেলায় আমার ঠিক পরিচয় হয়নি। বিপরীত শব্দ আর পাটিগণিতের ফাঁক গলে সুদূর শৈশব থেকে আবছা হয়ে কখনো কখনো তিনি উঁকি মারেন সামাজিক বিজ্ঞান বইতে, তার জন্য বরাদ্দ হয়ে রয় কিছু নীরস দাপ্তরিক শব্দ বড়জোর, নবগঠিত বাংলাদেশ সরকারের প্রধানমন্ত্রী হলেন তাজউদ্দীন আহমদ। ফলে, তাজউদ্দীন কখনো আমাদের হয়ে ওঠেন না। শৈশবের- তখনো সহনীয় যানজটের-ঢাকায় একটি ল্যাম্পপোস্টের বেশি কিছু তিনি নন; তিনি তখনো মাস্টারের নিয়মমাফিক প্রশ্নপত্রের জবাবে উগড়ে আসা উত্তরে, মুক্তিযুদ্ধের একটি অব্যয় মাত্র।

ভাবি- সেই তাজউদ্দীন আজ কোথায়? ক্যামন আছেন তিনি?Read More »

পর্দা নামার পরে

এমন কী একেবারে শেষ দৃশ্যেও নাটক। সিনেমায় যেমন হয়। বৃষ্টির প্রবল পাতে ভিজে যাচ্ছে সমবেত সুধীমন্ডলীর ফ্যাশনদুরস্ত কোট আর নিখুঁত ছাঁটের প্যান্ট, পাড়ার ফুটবলে পানিজমা কাদা মাঠে দুষ্টু ছেলের দল দৌড়ে যাচ্ছে মাথায় পতাকা চেপে ছপছপ শব্দ করে, আকাশের হস্তক্ষেপে হয়তো ঢেকে গেলো রাষ্ট্রনায়ক এবং নায়িকার চোখের আবেগ। কবে যে বিশ্বকাপের শেষ মুহুর্তে এমন হতে দেখেছি, তা স্মরণাতীত থেকে যায়।Read More »

কাঠঠোকরা

প্রাইমারি স্কুলের দুপুরবেলাটায় আমার করার কিচ্ছু থাকতো না। তখনো ডিশ অ্যান্টেনা অ্যাতোটা সর্বগ্রাসী হয়ে ওঠে নাই, সূর্যতরুণ আর আবাহনীর ক্রিকেটের খবর পড়ে রইতো সংবাদপত্রের শেষের দিক থেকে তিন নম্বর পাতায়। বিটিভির পর্দা জুড়ে ছড়িয়ে থাকা ম্যাকগাইভার নামের মহানায়ক বাদ দিলে আমার যাবতীয় প্রেম তখন থেকেই গড়ে ওঠে অক্ষরকে ঘিরে।

Read More »