লেখালেখি

Category: বিবিধ Page 1 of 4

‘কীভাবে পর্নোগ্রাফিক সিনেমা চিনবেন’: উমবার্তো ইকো

পর্নোগ্রাফিক সিনেমা কীভাবে চেনা যায়?

জানি, প্রশ্নটা শুনে ভুরু কুঁচকে ফেলবেন কেউ কেউ, তরুণেরা হেসেও উঠতে পারেন। আরে বাবা নানা রকম ওয়েবসাইটে দিনে-রাতে সমানে পর্নোগ্রাফি চলছে, একজনের ডাউনলোড করা ইরোটিকা কিংবা পর্নোগ্রাফি মুঠোফোন থেকে মুঠোফোনে ছড়িয়ে পড়ছে দিগ্বিদিক; এমন যুগে পর্নোগ্রাফিক সিনেমা চিনতে কারো মাথা ঘামাতে হবে কেন!

গল্পের একটি সম্ভাব্য চরিত্র

০১)
‘বেণীসংহার’ নামে শরদিন্দু বন্দ্যোপাধ্যায়ের একটা গল্প আছে, সত্যান্বেষী ব্যোমকেশ বক্সী যে গল্পের নায়ক। বেণীমাধব নামের এক বিপত্নীক প্রৌঢ় রহস্যজনকভাবে খুন হন নিজ বাড়িতে। খুন করা হয় দরজা পাহারায় থাকা তার একান্ত সহকারী মেঘরাজকেও। বাড়িতে বাস করা বেণীমাধবের পুত্র-কন্যা এবং অন্যান্য আত্মীয়দের অনেকেরই মোটিভ আছে ওই প্রৌঢ়কে হত্যার। একাধিক সন্দেহভাজনের মাঝে কে প্রকৃত খুনী, সেই সুরাহা করতে দৃশ্যপটে আগমন ঘটে ব্যোমকেশের।

ব্যোমকেশের প্রায় শেষ বয়েসের কেস ছিল ওই বেণীসংহার। প্রথম যখন পড়ি গল্পটা, এখনও স্মরণ হয়, সেটাকে খানিক আলাদা মনে হচ্ছিল শরদিন্দুর ন্যারেটিভ ভিন্নতার কারণে। অতটা লম্বা ফ্ল্যাশব্যাক, সম্ভবত ব্যোমকেশের অন্য কোনো গল্পে নেই।

নতুন বইঃ গ্রাফিতিও প্রশ্ন করে

চলছে ২০২২ সালের একুশে বইমেলা।

আমার নতুন উপন্যাস “গ্রাফিতিও প্রশ্ন করে” পাওয়া যাবে ঢাকা বইমেলার বাতিঘর প্রকাশনীতে, স্টল নম্বর ৩২৭-৩২৯। 

আর অনলাইনে কেনার জন্য ঘুরে আসুন এই ওয়েবসাইটে !

এনোক সোমেস স্মরণে

শেষ পর্যন্ত ডোডো পাখিটা বললো, ‘সবাই জিতেছে! সবাইকেই পুরস্কার দিতে হবে!’ 

আজব দেশে অ্যালিস

১৯৯৭ সালের ৩রা জুন, সাহিত্যপ্রেমী একদল ভদ্রলোক জড়ো হয়েছিলেন লন্ডনের ব্রিটিশ লাইব্রেরির পড়ার ঘরটায়, কবি এনোক সোমেসকে স্বাগত জানাতে। সেই মানুষটি যে দেখা দেননি, সেটাও সম্ভবতঃ অপ্রত্যাশিত ছিলো না।

শার্লক সন্ধানে

কৌশিক মজুমদারের লেখার সাথে এবারই প্রথম আলাপ নয়, এই মাসখানেক আগেই পড়ার ভাগ্য হয়েছিলো তার রহস্যোপন্যাস, ‘সূর্যতামসী’। উনিশ শতকের কলকাতা শহরে একটি রহস্যময় খুন, ‘দারোগার দপ্তর’ খ্যাত প্রিয়নাথ মুখোপাধ্যায় কিংবা বাংলার যাদুকরদের আদিগুরু গণপতি রায়ের উপস্থিতি, শ’খানেক বছর আধুনিক কলকাতাতেও পুরোনো সেই রহস্যের ফিরে আসা; কিছুই যেন বাদ যায়নি সে বইতে। অথচ অমন সব মুখরোচক জাংকফুডের আধিক্য সত্ত্বেও, ‘সূর্যতামসী’ পড়ে অনুভূতি হচ্ছিলো থ্রিলার নয়, রীতিমতো এনসাইক্লোপিডিয়া পাঠের।

শব্দে, ছন্দে, দৃশ্যে

০১.
মুক্তিযুদ্ধের পরে যাদের জন্ম, যুদ্ধকে অনুধাবন করতে হলে তারা ঠিক কীসের কাছে যান?

উত্তরে বলা যায় গ্রন্থাগারের ধুলো জমা বই, পূর্বসূরিদের স্মৃতিকথা, অথবা পত্রিকার প্রতিবেদনের কথা। কিন্তু এসব তো অনুসন্ধান তো তাত্ত্বিক; তথ্য আর পরিসংখ্যানের বাইরে মুক্তিযুদ্ধকে অনুভব করার যে আত্মিক যাত্রা করে বাংলাদেশের মানুষ, আরও নির্দিষ্ট করে বললে তরুণেরা; সেটার প্রাথমিক আগ্রহটা কে উস্কে দেয়?

প্রশ্নটার উত্তর খুঁজতে গিয়ে মনে পড়ে, মুহম্মদ জাফর ইকবালের কিশোর উপন্যাস ‘আমার বন্ধু রাশেদ’ পড়ে আমরা বন্ধুরা কী ভীষণ তাড়িত হয়েছিলাম শৈশবে। আজও ঈর্ষা করতে হয় সে পাঠককে, যিনি জাহানারা ইমামের ‘একাত্তরের দিনগুলি’ পড়তে বসবেন প্রথমবারের মতো আর শুনবেন ক্র্যাক প্লাটুনের রুমির সঙ্গে টম জোন্সের গ্রিন গ্রিন গ্রাস। যে পাঠক পড়তে বসবে হুমায়ূন আহমেদের ‘শ্যামলছায়া’র মতো ছোটগল্প অথবা শাহীন আখতারের ‘তালাশ’ উপন্যাস; অনাগত কালেও সে নিশ্চিত আবিষ্কার করতে পারবে মুক্তিযুদ্ধ কতটা ত্যাগের আর কী ভীষণ কদর্যতার ছিল। পাঠকের সংবেদনশীল মনের ফাঁক গলে ঢুকে পড়ে এসব কাহিনী তাকে উপলব্ধি করায় এটাও যে, দানবের বিরুদ্ধে লড়াই জিতে আসাতেই যুদ্ধ ফুরিয়ে যায়নি; যুদ্ধ আরও অনেক নির্মম, সেটির ক্ষত একালের ঢাকা মহানগরীর রাজপথের বুকে ফুটে থাকা মেট্রো রেলের নির্মাণযজ্ঞের চাইতেও গভীর।

কালভিনোর ‘সিক্স মেমোজ’ নিয়ে কয়েক ছত্র

পড়া হলো লেখালেখি নিয়ে ইতালো কালভিনের বেশ কিছু বক্তব্যের সংকলন ‘সিক্স মেমোজ ফর দা নেক্সট মিলেনিয়াম’। ১৯৮৪-৮৫ এর দিকে The Charles Eliot Norton Lectures সিরিজের অংশ হিসেবে এই বক্তব্যগুলো প্রস্তুত করেছিলেন কালভিনো।

আগামী শতাব্দীর (অর্থাৎ এই একবিংশ শতাব্দীর) সাহিত্যের সম্ভাব্য গতিপ্রকৃতি নিয়ে কয়েকটা প্রবন্ধ জায়গা পেয়েছে আলোচ্য সংকলনে। শোনা যায়, এই বিষয়ে মোট আটটি প্রবন্ধ লেখার পরিকল্পনা ছিলো কালভিনোর, কিন্তু অকাল প্রয়াণের কারণে কাজটি সম্পূর্ণ করা আর হয়ে ওঠেনি তার। ফলে, নামে ‘সিক্স মেমোজ’ হলেও অত্র শতাব্দীর সাহিত্যচর্চার পাঁচটি মাত্রা নিয়েই আলাপ করা হয়েছে এখানে।

Page 1 of 4

Powered by WordPress & Theme by Anders Norén

error: Content is protected !!