পিটার্সবার্গের ওস্তাদ

সম্ভবত মুরাকামিই বলেছেন কথাটা। যতই কাছাকাছি হোক দুটো মানুষ, কোনো ক্রমে যদি একজন প্রবেশ করতে পারে অপরজনের ভেতরে- মুখোমুখি বসবার কিছু তখন আর থাকে না। কেবলই অন্ধকার পড়ে রয়। দক্ষিণ আফ্রিকান লেখক জে এম কোয়েটজি এই সত্য জানেন, কিন্তু যে কোনো প্রথম শ্রেণির লেখকের মতোই, দীর্ঘদিন ধরে সঙ্গে বয়ে বেড়ানো একটি মানুষের জটিল ল্যাবিরিন্থের ভেতরের ঢোকার চেষ্টা তিনি করেছেন দা মাস্টার অফ পিটার্সবার্গ উপন্যাসে।

কোয়েটজির আতশ কাঁচের তলায় জায়গা নেওয়া মানুষটি মিখাইলেভিচ। কিন্তু উপন্যাসের কোনো পাঠক হয়তো খানিক আগে থেকেই আগ্রহের পারদ উঁচু করে রাখবেন এই সত্যটি জেনে, যে আঠারোশো উনসত্তরের এক শীতে জার্মানির ড্রেসডেন থেকে স্বেচ্ছা নির্বাসন শেষ করে যে মানুষটি ফিরেছেন পিটার্সবার্গ- উপন্যাসের সেই কেন্দ্রীয় চরিত্র আমাদের কাছে পরিচিত অন্য একটি নামে। ফিওদর দস্তয়েভস্কি।Read More »

ইমতিয়ার শামীমের সঞ্চারপথ

কিছু বই আছে, যেগুলো পড়ার পরে মাথার ভেতর ক্রমাগত বুদবুদ ফাটে। এমন একধরনের চিন্তা বা বোধ তখন কাজ করে যে পাঠক জেনে যান, বাদবাকি হার্ডকাভার কি পেপারব্যাকের চাইতে বুকশেলফে এই বিশেষ বইটিকে একটু আলাদা রাখা দরকার। তেমন বই নিয়ে কথা বলাটা মুশকিলের ব্যাপার। ইমতিয়ার শামীমের উপন্যাস আমরা হেঁটেছি যারা  নিয়ে লিখতে বসে সেই দশাই হয়েছে।Read More »